Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home3/durekuthao/public_html/config.php on line 11
Photo Gallery
Deuwa / ডেউয়া AMY LogoHill House / পাহাড়ি ঘরKathal Chapa / কাঠালচাঁপা Sawtooth Coriander / বিলাতী ধনেSawtooth Coriander / বিলাতী ধনেশ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় / Sreenagar Pilot High Schoolশ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় / Sreenagar Pilot High Schoolখেজুর / Khejur / PalmsSrinagar Pilot High School / শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়Srinagar Pilot High School / শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়Srinagar Pilot High School / শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়Shundor Bon / সুন্দর বনBoga Lakeশহীদ মিনার / The Shaheed Minar / Martyr Monument

Banjonborno / ব্যঞ্জনবর্ণ

uploaded by: JibonBarta Upload date: 2011-10-09 Total view: 2993

About the photo: Banjonborno / ব্যঞ্জনবর্ণ

বাংলা লিপি ব্রাহ্মী লিপি পরিবারের অন্তর্গত একটি আবুগিদা লিপি৷ বাংলা লিপি বাংলা, অসমীয়া, মণিপুরি সিলেটি ভাষায় ব্যবহৃত হয়৷ বাংলা লিপি দেবনাগরী লিপির পূর্বসূরী নাগরী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে বলে মনে করা হয়৷ ১৭৭৮ সালে অক্ষরস্থাপক চার্ল্‌স্ উইলকিন্‌স্ লিপিটির আধুনিক রূপ সর্বপ্রথম নিয়মাবদ্ধ করেন৷ পূর্বপুরুষ পদ্ধতি Proto-Sinaitic→ Phoenician→ Aramaic→ ব্রাহ্মী→ গুপ্ত লিপি→ Siddham→ পূর্বনাগর→ বাংলা আবুগিদা |
ছাপাখানা আসার আগে বাংলা হাতে লেখা হত। স্বাভাবিকভাবেই তখন বাংলা হরফের কোন সার্বজনীন রূপ ছিল না। সে সময় বাংলা লিপি লেখার কিছু ন্যূনতম নিয়মকানুন গড়ে উঠেছিল। পুরাতন বাংলা পুঁথি-পত্র ও দলিল-দস্তাবেজে এগুলির উদাহরণ মেলে। এগুলির উপর ভিত্তি করেই বাংলা ছাপাখানার প্রাথমিক যুগের হরফগুলি প্রস্তুত করা হয়। তাই এগুলির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে।
১৭৭৮ সালে নাথানিয়েল ব্রাসি হালেদের লেখা A Grammar of the Bengal Language প্রকাশনার মাধ্যমে বাংলা মুদ্রণশিল্পের জন্ম হয়। বইটি ইংরেজি ভাষাতে লেখা হলেও এতে বাংলা বর্ণপরিচয় ও বাংলা লেখার নিদর্শন সবই বাংলা মুদ্রাক্ষরে ছাপা হয়। এই মুদ্রণে প্রথমবারের মত "বিচল হরফ" (movable type) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। বাংলা মুদ্রণে হালেদের বইতে চার্লস উইলকিন্স এবং তার সহকারী পঞ্চানন কর্মকার এই প্রযুক্তি প্রথমবারের মত প্রয়োগ করেন।
ইউরোপে এর প্রায় তিনশ' বছর আগেই বিচল হরফে ছাপার প্রযুক্তি শুরু হয়ে গেলেও বাংলাতে এটি ছিল একেবারেই নতুন একটি ঘটনা। চার্লস উইলকিন্স ও তার সহকারী পঞ্চানন কর্মকার সম্ভবত এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারিগর ছিলেন না। ১৮০০ সালে শ্রীরামপুরে ব্যাপটিস্ট মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে উইলিয়াম কেরি ও উইলিয়াম ওয়ার্ড ছিলেন ছাপখান বিশেষজ্ঞ। তাঁরা সেখানে পঞ্চানন কর্মকারের চাকরির ব্যবস্থা করেন। এদের মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলা হরফের চেহারার উন্নতি হতে থাকে।১৯শ শতকের তৃতীয় দশকেই বাংলা ছাপার চেহারা অনেকখানি পাল্টে যায়। ১৮৩১ সালে ভিনসেন্ট ফিগিন্স সম্ভবত প্রথম বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য বাংলা হরফ তৈরি করেছিলেন।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপনা ছেড়ে দিয়ে জীবিকা অর্জনের জন্য একটি ছাপাখানা খোলেন। বিদ্যাসাগর বাংলা বর্ণমালা সংস্কারের জন্য অনেকগুলি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই প্রথম বাংলা হরফের জন্য ডালার একটি নকশা এবং কোন হরফের পর কোন হরফ বসবে তার নিয়ম স্থির করে দেন।তিনি বাংলা মুদ্রণশিল্পকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন। মূলত তার বেঁধে দেয়া নিয়মনীতি অনুসারেই পরবর্তী একশো বছর, বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত বাংলা হরফ মুদ্রিত হয়।
আনন্দবাজার প্রকাশনা সংস্থার সুরেশচন্দ্র মজুমদার রাজশেখর বসুর পরামর্শে বাংলা হরফের বিরাট আকারের সংস্কার সাধন করেন।তিনি অনেক যুক্তব্যঞ্জনের একই উপাদান ব্যঞ্জনাক্ষরের সাধারণ আদল আলাদা করে সেটির হরফ বানালেন, ফলে যুক্তব্যঞ্জন ছাপানোতেও হরফের সংখ্যার অনেক সাশ্রয় হল। শেষ পর্যন্ত সুরেশচন্দ্র বাংলা হরফের সংখ্যাকে চাবির ডালায় ১২৪টি এবং বিবিধ আরও ৫০টিতে নামিয়ে আনতে পেরেছিলেন।
১৯৭০-এর দশকে শেষের দিকে আনন্দবাজার পত্রিকা যুক্তরাজ্যে অবস্থিত লাইনোটাইপ-পল লিমিটেড নামের সংস্থাকে ফটোটাইপসেটিং প্রক্রিয়াতে ব্যবহারের জন্য একটি নতুন বাংলা মুদ্রাক্ষর-ছাঁদ (typeface) তৈরি করার অর্ডার দেয়। ১৯৭৮ সালে ফিওনা রসের বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে নকশাবিদ হলোওয়ে নতুন ছাঁদটি নকশা করেন। এই ছাঁদটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন। লাইনোটাইপ বা অন্য কোন কোম্পানির দ্বারা অতীতে ব্যবহৃত কোন হট মেটাল বা তপ্তধাতু হরফের ছাঁদকেই এই নকশাতে মডেল হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। ছাঁদটির নাম দেওয়া হয় লাইনোটাইপ বেঙ্গলি (Linotype Bengali)।বর্তমানে বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ছাপা অক্ষরের সুদর্শন যে রূপটি সংবাদপত্র, বইপত্র, বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, গণমাধ্যম, মাল্টিমিডিয়াসহ সর্বত্র দেখতে পাওয়া যায়, তা আসলে ৭০-এর দশকে সৃষ্ট বলে মনে করা হয় |
বাংলা লিপিতে বর্তমানে ১১টি স্বরবর্ণ আছে যা ৭টি প্রধান স্বর উচ্চারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।মূলত প্রাকৃত থেকে বাংলা বর্ণমালার সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্ণমালায় বর্তমানে মোট ৪৯ টি বর্ণ রয়েছে।
বাংলা ভাষায় কয়েকটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে সংযুক্তাক্ষরের সৃষ্টি করে৷

বাংলা অক্ষর সৃষ্টি এবং পরিবর্তনে যাদের অবদান : পুরাতন বাংলা পুঁথি-পত্র ও দলিল লেখক , নাথানিয়েল ব্রাসি হালেদ,ইয়োহানেস গুটেনবের্গ , চার্লস উইলকিন্স  , পঞ্চানন কর্মকার , উইলিয়াম কেরি , উইলিয়াম ওয়ার্ড , ভিনসেন্ট ফিগিন্স , ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর , সুরেশচন্দ্র মজুমদার , ফিওনা রস , ডক্টর তারাপদ মুখোপাধ্যায় , মুদ্রাক্ষর-নকশাবিদ টিম হলোওয় ,

তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া



Calender
Photo Uploader
Jibonbarta has uploaded total: 473 Photo
neelima has uploaded total: 149 Photo
Shuvo has uploaded total: 119 Photo
sazib has uploaded total: 67 Photo
shanta has uploaded total: 17 Photo
From,Google has uploaded total: 5 Photo
Jibonbarta / জীবনবার্তা has uploaded total: 4 Photo
Jibonbarta Family has uploaded total: 4 Photo
Satou Yumi has uploaded total: 4 Photo
admin has uploaded total: 3 Photo
Visitor Counterযে দেশগুলি এই পেজটি দেখেছেন"